সোমবার | ১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিটাগংকে হারিয়ে বরিশালের টানা দ্বিতীয় শিরোপা

২০১৩ সালের পর আবারও বিপিএলে প্রত্যাবর্তন করে চিটাগাং কিংস। দীর্ঘ ১২ বছর পর ফিরেই ফাইনালে জায়গা করে নেয় বন্দর নগরীর দলটি। তবে শিরোপা ছোঁয়া হলো না চিটাগাংয়ের। জমজমাট ফাইনালে বরিশালের কাছে ৩ উইকেটে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে তারা। অন্যদিকে এই জয়ে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতলো তামিম ইকবালের বরিশাল।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চিটাগাংকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বরিশালের অধিনায়ক তামিম ইকবাল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক ব্যাটিং করতে থাকেন দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও খাজা নাফি।

এই দুই ব্যাটারের ফিফটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে চিটাগাং। ৪৪ বলে ৬৬ রান করে নাফি আউট হলেও ৪৯ বলে ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন পারভেজ ইমন। এছাড়া ২৩ বলে ৪৪ রান করেন গ্রাহাম ক্লার্ক।

১৯৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে বরিশালকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও তাওহিদ হৃদয়। মারমুখি ব্যাটিংয়ে ২৪ বলে ফিফটি তুলে নেন বরিশালের অধিনায়ক।

উদ্বোধনী জুটিতে ৭৬ রান যোগ করেন তামিম-হৃদয়। তবে ২৯ বলে ৫৪ রান করে আউট হন তামিম। তার বিদায়ের পর দ্রুতই বরিশালের জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরে চিটাগাং। দাউদ মালান ২ বলে ১ ও হৃদয় ২৮ বলে ৩২ রান করে আউট হন।

এরপর কাইল মায়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেন মুশফিকুর রহিম। ৩৪ রানের জুটি গড়েন তারা। তবে দলীয় ১৩০ রানে ৯ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান মুশফিক।

এরপর ক্রিজে আসা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সঙ্গে নিয়ে বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে থাকেন মায়ার্স। তবে দলীয় ১৭২ রানে এই দুই ব্যাটারকে আউট করে চিটাগাংকে জয়ের স্বপ্ন দেখান শরীফুল ইসলাম।

মায়ার্স ২৮ বলে ৪৬ ও মাহমুদউল্লাহ ১১ বলে ৭ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। তবে শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ৬ বলে অপরাজিত ১৮ রানের ক্যামিওতে ৩ বল হাতে রেখে ৩ উইকেটের জয় পায় বরিশাল।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Print